বিদ্যালয়ের ইতিহাস

মোহনতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস

 

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলাধীন ০৫ নং কলমা ইউনিয়নের অন্তর্গত বাজুরী গ্রামে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রাক্তন সংসদ সদস্য বাবু নিত্যানন্দ দাস চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক বাবু গোপীনাথ দাস ও এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি বর্গের উদ্যোগে মোহনতলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে একটি তীর্থস্থান রয়েছে যার নাম মোহনতলা। উক্ত জায়গার নামানুসারে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। অত্র এলাকার জনগণের মধ্যে শিক্ষার আলো প্রসারের লক্ষে বিভিন্ন গ্রামে যোগাযোগ করে সাহায্য সহযোগিতা তুলে একটি টিন সেট ঘর তৈরি করে মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থী, ০৫ শিক্ষক, ০১ জন অফিস সহকারী ও ০১ দপ্তরী নিয়োগদানের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম শুর করা হয়। বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের ছোট ভাই মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক সাহেবের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ০১/০১/১৯৮৬ খ্রীঃ হতে বিদ্যালয়টি এম.পি.ও ভুক্ত হয়। তারপর ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ০১/০১/১৯৯৫ খ্রীঃ হতে নবম শ্রেণি খোলার একাডেমিক অনুমতি পাওয়া যায়। ১৯৯৮ সনে সর্বপ্রথম এস.এস.সি. পরীক্ষায় মোট ১০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। শিক্ষার আলো প্রসারের লক্ষে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী দীর্ঘদিন যাবৎ বিনা বেতনে পাঠদান করেছেন। পরবর্তীতে উপজেলা উন্নয়ন তহবিল হতে একতলা বিল্ডিং স্থাপন করা হয়। গরীব ও মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে মহামান্য রাষ্ট্রপতির তনয় কিশোরগঞ্জ-০৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক সাহেবের বিদ্যালয়টির প্রতি সু-দৃষ্টি কমতি নেই। কৃতিত্বের বিষয় হলো অত্র বিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের ফার্স্ট বয় ছাত্রটিই বর্তমানে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক বাবু গীরেন্দ্র চন্দ্র দাস এর দক্ষতা ও বিচক্ষনতার মাধ্যমে বিদ্যালয়টি একটি সুন্দর, সু-শৃঙ্খল ও মনোরম পরিবেশের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ বছর বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক হতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টির ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ৯৩৪ জন। বিদ্যালয়টিতে বিভিন্ন সময়ে অষ্টম শ্রেণিতে মেধা তালিকায় বৃত্তি পেয়েছে। বর্তমানে ভাটি এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বলছে। এমনকি অত্র এলাকায় ২৫% চাকুরীজীবি রয়েছে। যা ভাটি এলাকার জন্য গৌরবের বিষয় এবং তারা এ বিদ্যালয়েরই শিক্ষর্থী ছিল।